Thursday, January 11, 2018

বিশ্ব ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ

বিশ্ব ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ


**বিশ্ব ঐতিহ্য ৩টি
           ১. ষাটগম্বুজ মসজিদ(৩২১ নং....১৯৮৫ সাল)
           ২. পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (৩২২নং........১৯৮৫ সাল)
          ৩. সুন্দরবন (৭৯৮নং.........১৯৯৭ সাল)

**ভৌগলিক নির্দেশক পন্য 
 ১. জামদানি শাড়ি
২. বাংলাদেশ ইলিশ
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম
৪. বিজয়পুরের সাদামাটি
৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ চাল
৬. রাজশাহীর সিল্ক
৭. নাটোরের কাঁচা গোল্লা
৮. রংপুরের শতরঞ্জি
৯. বগুড়ার দই
১০. কুমিল্লার রসমালাই
১১. টাঙ্গাইল শাড়ি
১২. সুন্দরবনের মধু
১৩. বাগদা চিংড়ি
১৪. কালিজিরা চাল
১৫. ফজলি আম
১৬. শেরপুরের তুলশীমালা ধান
১৭. মুক্তাগাছার মণ্ডা
১৮. অষ্টগ্রামের পনির
১৯. গোপালগঞ্জের রসগোল্লা
২০. জামালপুরের নকশিকাঁথা
২১. হাজরাপুরী লিচু
২২. মধুপুরের আনারস
২৩. ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই
২৪. নরসিংদীর লটকন
২৫. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী
নোট: জিআই তালিকার সংখ্যা সময়ের সাথে বাড়ছে, তাই সর্বশেষ সরকারি DPDT তালিকায় সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।

**অধরা সাংস্কৃতিক  ঐতিহ্য(মোট ৪৭০টি, বাংলাদেশের ৪টি)
        ১. বাউলগান(২০০৮)
        ২. জামদানি বয়নশিল্প(২০১৩)
        ৩. মঙ্গল শোভাযাত্রা(২০১৬)
        ৪. শীতল পাটির বুনন পদ্ধতি(২০১৭)

**ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ..মোট ৪২৭টি,বাংলাদেশের ১টি
      ১. জাতির পিতার ৭ই মার্চের ভাষণ.

**রামসার সাইট ২টি
     ১. সুন্দরবন(২১মে, ১৯৯২)
     ২. টাঙ্গুয়ার হাওড় (১০ জুলাই ২০০০)





মেঘনার ঢল,হুমায়ুন কবির

মেঘনার ঢল

হুমায়ুন কবির

শোন্ মা আমিনা, রেখে দে রে কাজ ত্বরা করি মাঠে চল,
এল মেঘনায় জোয়ারের বেলা এখনি নামিবে ঢল।
নদীর কিনার ঘন ঘাসে ভরা
মাঠ থেকে গরু নিয়ে আয় ত্বরা
করিস না দেরি- আসিয়া পড়িবে সহসা অথই জল
মাঠ থেকে গরু নিয়ে আয় ত্বরা মেঘনায় নামে ঢল।

এখনো যে মেয়ে আসে নাই ফিরে- দুপুর যে বয়ে যায়।
ভরা জোয়ারের মেঘনার জল কূলে কূলে উছলায়।
নদীর কিনার জলে একাকার,
যেদিকে তাকাই অথই পাথার,
দেখতো গোহালে গরুগুলি রেখে গিয়েছে কি ও পাড়ায়?
এখনো ফিরিয়া আসে নাই সে কি? দুপুর যে বয়ে যায়।


ভরবেলা গেলো, ভাটা পড়ে আসে, আঁধার জমিছে আসি,
এখনো তবুও এলো না ফিরিয়া আমিনা সর্বনাশী।
দেখ্ দেখ্ দূরে মাঝ-দরিয়ায়,
কাল চুল যেন ঐ দেখা যায়-
কাহার শাড়ির আঁচল-আভাস সহসা উঠিছে ভাসি?
আমিনারে মোর নিল কি টানিয়া মেঘনা সর্বনাশী।

শিক্ষাগুরুর মর্যাদা


শিক্ষাগুরুর মর্যাদা

কাজী কাদের নেওয়াজ


বাদশাহ আলমগীর-
কুমারে তাঁহার পড়াইত এক মৌলভী দিল্লীর।
একদা প্রভাতে গিয়া
দেখেন বাদশাহ- শাহজাদা এক পাত্র হস্তে নিয়া
ঢালিতেছে বারি গুরুর চরণে
পুলকিত হৃদে আনত-নয়নে,
শিক্ষক শুধু নিজ হাত দিয়া নিজেরি পায়ের ধুলি
ধুয়ে মুছে সব করিছেন সাফ্ সঞ্চারি অঙ্গুলি।
শিক্ষক মৌলভীভাবিলেন আজি নিস্তার নাহি, যায় বুঝি তার সবি।
দিল্লীপতির পুত্রের করে
লইয়াছে পানি চরণের পরে,
স্পর্ধার কাজ হেন অপরাধ কে করেছে কোন্ কালে!
ভাবিতে ভাবিতে চিন্তার রেখা দেখা দিল তার ভালে।
হঠাৎ কি ভাবি উঠি
কহিলেন, আমি ভয় করি না’ক, যায় যাবে শির টুটি,
শিক্ষক আমি শ্রেষ্ঠ সবার
দিল্লীর পতি সে তো কোন্ ছার,
ভয় করি না’ক, ধারি না’ক ধার, মনে আছে মোর বল,
বাদশাহ্ শুধালে শাস্ত্রের কথা শুনাব অনর্গল।
যায় যাবে প্রাণ তাহে,
প্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি বোঝাব শাহানশাহে।

তার পরদিন প্রাতে
বাদশাহর দূত শিক্ষকে ডেকে নিয়ে গেল কেল্লাতে।
খাস কামরাতে যবে
শিক্ষকে ডাকি বাদশা কহেন, ”শুনুন জনাব তবে,
পুত্র আমার আপনার কাছে সৌজন্য কি কিছু শিখিয়াছে?
বরং শিখেছে বেয়াদবি আর গুরুজনে অবহেলা,
নহিলে সেদিন দেখিলাম যাহা স্বয়ং সকাল বেলা”
শিক্ষক কন-”জাহপানা, আমি বুঝিতে পারিনি হায়,
কি কথা বলিতে আজিকে আমায় ডেকেছেন নিরালায়?”
বাদশাহ্ কহেন, ”সেদিন প্রভাতে দেখিলাম আমি দাঁড়ায়ে তফাতে
নিজ হাতে যবে চরণ আপনি করেন প্রক্ষালন,
পুত্র আমার জল ঢালি শুধু ভিজাইছে ও চরণ।
নিজ হাতখানি আপনার পায়ে বুলাইয়া সযতনে
ধুয়ে দিল না’ক কেন সে চরণ, স্মরি ব্যথা পাই মনে।”

উচ্ছ্বাস ভরে শিক্ষকে আজি দাঁড়ায়ে সগৌরবে
কুর্ণিশ করি বাদশাহে তবে কহেন উচ্চরবে-
”আজ হতে চির-উন্নত হল শিক্ষাগুরুর শির,
সত্যই তুমি মহান উদার বাদশাহ্ আলমগীর।”


কারাগারের রোজনামচা



কারাগারের রোজনামচা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত আত্মজীবনী মূলক দ্বিতীয় গ্রন্থকারাগারের রোজনামচা।২০০৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রন্থটির পাণ্ডুলিপি খুঁজে পান।বইটি ২০১৭ সালের ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ৯৮ তম জন্মবার্ষিকী জাতীয় শিশু দিবসে ঐতিহাসিক বাংলাএকাডেমী থেকে প্রকাশিত হয়।পাণ্ডুলিপি আনুযায়ী বঙ্গবন্ধু এর নাম দিয়েছিলেনথালাবাটি কম্বল/জেলখানার সম্বল।বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা বইটির নামকরণ করেনকারাগারের রোজনামচাগ্রন্থটিতে ১৯৬৬-১৯৬৮ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর কারাবাসের চিত্র তুলেধরেছেন।গ্রন্থটির প্রচ্ছদ শিল্পী তারিক সুজাত।বঙ্গবন্ধু এই গ্রন্থটিতে তাঁর জেল জীবনের পাশাপাশি জেল যন্ত্রনা,কয়েদীদের অজানা কথা, অপরাধীদের কথা,কেন তারা এই অপরাধে লিপ্তহলো তার কথা,তখনকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি,আওয়ামীলীগ নেতাদের দুঃখ দুর্দশা,সংবাদ মাধ্যমের অবস্থা,শাসকগোষ্ঠীর নির্মম নির্যাতন প্রভৃতি তুলে ধরেছেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরি ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড.ফকরুল আলম স্যার বইটির ইংরেজি অনুবাদ করেন এবং তা বাংলা একাডেমী থেকেপ্রিজন ডায়েরীনামে প্রকাশিত হয়।বইটির ভূমিকা লিখেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বইটির গ্রন্থস্বত্ব হচ্ছেজাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট




Monday, November 27, 2017

৭ই মার্চের ভাষণ

৭ই মার্চের ভাষণ




১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে(বর্তমান সোরাওয়ার্দী উদ্যানে) রোজ শুক্রবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ ভাষণ প্রদান করেন। বিকাল ৩টা ২ মিনিটে শুরু করে বিকাল ৩ট ২০ মিনিটে এ ভাষণ শেষ হয়।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা বলেন,এর ব্যাপ্তিকাল ছিল ২৩ মিনিট তবে ১৮-১৯ মিনিট রেকর্ড করা হয়।রেকর্ড করেন এ এইচ খন্দকার এবং চিত্র ধারণ করেন আবুল খায়ের এমএনএ।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫ম তফসিলে জাতির পিতার এ ভাষণ সন্নিবেশিত হয়। এ ভাষণেই বঙ্গবন্ধু বলেন “আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না।আমরা এদেশের মানুষের অধিকার চাই।”৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন।যথাঃ

১. প্রথমে মার্শাল ল উইথড্র করতে হবে।
২. সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত যেতে হবে।
৩. যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে।আর
৪. জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

১৩ নভেম্বর ২০১৭ বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের ২৬টি বাক্যের বিশ্লেষণ করে “বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ:রাজনীতির মহাকাব্য”শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।গ্রন্থটি প্রকাশ করে-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

 ৩০ অক্টোবর ২০১৭ ইউনেস্কো ৭ই মার্চের ভাষণকে “ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারী হেরিটেজ” বা “বিশ্ব প্রামাণ্যের ঐতিহ্য” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।এ পর্যন্ত বিশ্বে মোট ৪২৭ টি নথি এতে যুক্ত হয়েছে।সম্প্রতি ইউনেস্কো ঘেষিত ৭৮টি ঐতিহাসিক দলিলের মধ্যে ৭ই মার্চের ভাষণ ৪৮ তম।ইউনেস্কোর এযাবৎ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ৪২৭টি প্রামান্য ঐতিহ্যের মধ্যে প্রথম অলিখিত ভাষণ এটি।স্বীকৃতির সময় ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ছিলেন ইরিনা বোকোভা।


ব্রিটিশ ঐতিহাসিক জ্যাকব এফ ফিল্ড তার  'We Shall Fight on the Beaches: The Speeches That Inspired History'   গ্রন্থের ২০১ পৃষ্ঠায় ভাষনটি যুক্ত করেন।৭মার্চের ভাষনকে আড়াই হাজার বছরের ইতিহাসে যুদ্ধকালে দেয়া বিশ্বের অন্যতম অনুপ্রেরণাদায়ক বক্তৃতা বলা হয়। ভাষণটি এ পর্যন্ত মোট(২০১৭) ১২টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে।



Saturday, November 4, 2017

ব্রাক অন্বেষা

ব্রাক অন্বেষা


বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম ক্ষুদ্রাকৃতির উপগ্রহ বা ন্যানো স্যাটেলাইট ব্রাক অন্বেষা।২০১৭ সালের ২ জুন মহাকাশে উৎক্ষেপণের কথা থাকলেও খারাপ আবহাওয়ার কারনে তা সম্ভব হয় নি ফলে ৪ জুন ২০১৭ বাংলাদেশ সময় ভোর রাত ৩টার সময় মাহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয় দেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট “ব্রাক অন্বেষা”।এটি ৭ জুন ক্ক্ষপথে স্থাপন করা হয়। মহাকাশে বাংলাদেশের আগে দক্ষিণ এশিয়ার কেবলমাত্র ভারত এবং পাকিস্তান ন্যানো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করেছে।এর ওজন ১ কেজি এবং দৈর্ঘ্য-১০ সেমি প্রস্থ-১০ সেমি এবং উচ্চতা-১০ সেমি।এটি ভূমি থেকে ৪০০ কি.মি উচুতে কক্ষপথে স্থাপন করা হবে।এটি পৃথিবীকে প্রতি ৯০ মিনিটে একবার এবং দিনে ১৬বার প্রদিক্ষণ করবে।প্রদিক্ষণ কালে দিনে ৪/৫/৬বার বাংলাদেশের উপরে আসবে।এর সাথে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা যুক্ত করা হয়েছে।বাংলাদেশের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফি, রায়হানা শামস ইসলাম অন্তরা এবং মাইসুন ইবনে মনোয়ার জাপানের কিউশু ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে ন্যানো স্যাটেলাইটটি তৈরি করেছেন।স্পেসএক্স-এর ফ্যালকন নাইন রকেটের মাধ্যমে ন্যানো স্যাটেলাইটটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হয়।যুক্তরাষ্ট্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হলেও এর ভুমি থেকে নিয়ন্ত্রন করা হবে ঢাকা থেকে।এর নকশা প্রণয়ন করেছে জাপানের কিয়ুশু ইনিস্টিটিউট অব টেকনোলজি।

Sunday, October 29, 2017

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা








নাম                                                              মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তারিখ


1. আব্দুল কাদের মোল্লা                             ১২-১২-২০১৩


2.মুহাম্মদ কামারুজ্জামান                         ১১-০৪-২০১৫


3.আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ            ২২-১১-২০১৫


4. সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী                      ২২-১১-২০১৫

5. মতিউর রহমান নিজামী                         ১০-০৫-২০১৬


6. মীর কাসেম আলী                                  ০৩-০৯-২০১৬




Monday, October 16, 2017

Title of Some English Writer

Title of Some English Writer



Title
Name
Father of English Novel
Henry Fielding
Father of English Poetry
Geoffrey Chaucer
Poet of  Poets
Edmund Spenser
Mock –Heroic Poet
Alexander Pope
English Epic Poet
John Milton
Poet Of Nature
William Wordsworth
Poet of Beauty
John Keats
Rebel poet
Lord Byron
Poet Of Skylark and winds
P.B. Shelley
Revolutionary poet
P.B. Shelley
Father Of Modern English Literature
G. B. Shaw
Most Translated Author of the World
V. I. Lenin
Father Of English Prose(গদ্য)
John Wycliff
Father Of Comedy
Nicolas Udall/Ben Jonson
Father Of Tragedy
Christopher Marlowe
First English Sonneteer
Thomas Wyatt
Bard Of Avon
William Shakespeare
Father of English Drama
William Shakespeare
Father of English Essay
Francis Bacon
Poet Of Love
John Donne
Father of Dictionary
Samuel Johnson
Fathers of Romanticism
Coleridge&Wordsworth
Father of English Short Story
Edger Allen Poe
First Nobel Prize Winner in Literature
Sully Proudhomme
Father of Revenge Tragedy
Thomas Kyd


Saturday, October 14, 2017

নোবেল পুরস্কার

নোবেল পুরস্কার
আলফ্রেড নোবেল ২১ অক্টোবর ১৮৩৩ সালে সুইডেনের স্টকহোমে জন্ম গ্রহণ করেন।তাঁর পিতার নাম ইমানুয়েল নোবেল।আলফ্রেড নোবেল একাধারে একজন বিজ্ঞানী,ব্যবসায়ী,রসায়নবিদ ছিলেন।ডিনামাইট আবিষ্কার করে তিনি অঢেল সম্পত্তির মালিক হন।তবে শেষজীবনে ডিনামাইটের ধ্বংসাত্মক ব্যাবহার দেখে অনুতপ্ত হন এবং তাঁর সম্পত্তির ৯৪% বা ৯০ লক্ষ ডলার দানপত্র করে যান।তিনি ১০ ডিসেম্বর ১৮৯৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

আলফ্রেড নোবেলের দানপত্র অনুসারে ১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তিত হয়।শুরুতে পদার্থ, রসায়ন,চিকিৎসা,সাহিত্য এবং শান্তি এই ৫টি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হতো।১৯৬৯ সালে এ তালিকায় অর্থনীতিকে যুক্ত করার মাধ্যমে বর্তমানে নোবেল পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্র মোট ৬টি।১৯৪০-১৯৪২ সাল পর্যন্ত নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়নি।শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় নরওয়ে থেকে বাকিগুলো সুইডেন থেকে প্রদান করা হয়।

এক নজরে নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্র ঘোষণার দিন এবং ঘোষণাকারী প্রতিষ্ঠান

উপমহাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সাথে তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।একমাত্র বাংলাদেশী হিসেবে ড.মুহাম্মদ ইউনুস ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

নোবেল বিজয়ী প্রথম নারী মাদাম কুরি। তিনি পদার্থ(১৯০৩) এবং রসায়ন(১৯১১)-এ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।নোবেল বিজয়ী প্রথম মুসলিম নারী শিরিন এবাদী(ইরান)।তিনি ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল লাভ করেন। ১৯৭৮ সালে প্রথম মুসলিম হিসেবে মিশরের আনোয়ার সাদাত শান্তিতে নোবেল লাভ করেন।এছাড়াও আং সান সুচী-১৯৯১,নেলসন ম্যাণ্ডেলা-১৯৯৩,ইয়াসির আরাফাত-১৯৯৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রথমি এশিয় নারী মাদার তেরেসা।তিনি ১৯৭৯ সালে নোবেল লাভ করেন।সর্বকনিষ্ট নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাঈ।তিনি ২০১৪ সালে যৌথভাবে  ভারতের কৈলাস সত্যার্থী এর সাথে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।








Tuesday, October 10, 2017

জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ

জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ



জঙ্গিবাদ বর্তমান বিশ্বের প্রধান সমস্যা। আমেরিকা থেকে শুরু করে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া হয়ে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ এরই মধ্যে কোনো না কোনোভাবে জঙ্গি হামলায় আক্রান্ত হয়েছে। এ তালিকায় আছে বাংলাদেশও।


জঙ্গিবাদ কি
জঙ্গিবাদ বলতে বর্তমানে ‘অস্ত্রধারী ধর্মগোষ্ঠী’কে বোঝানো হয়। যারা কিনা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বিদ্যমান ব্যবস্থাকে উৎখাত করে ধর্মীয় বিধান প্রতিষ্ঠা করতে চায়। যদিও জঙ্গ অর্থ হচ্ছে ‘যুদ্ধ’। সে অনুযায়ী জঙ্গি মানে সৈনিক। বাংলায় একে ‘বাদ’ তথা মতবাদ বলা হলেও বাস্তবে এর কোনো সুগঠিত তাত্ত্বিক ভিত্তি নেই। মৌলবাদের মতো কোনো সুস্থির প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েও এটি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ইংরেজিতে এটি বুঝাতে ‘মিলিট্যান্ট’ বা ‘মিলিট্যান্ট এক্সট্রিমিজিম’ ব্যবহৃত হয়। প্রাচীনকালে ধর্মগোষ্ঠীর গোপন হানাহানির অনেক আখ্যান চালু থাকলেও সেসব ধর্মগোষ্ঠীকে জঙ্গি বলা বা বোঝানো হতো না। কারণ এখনকার সময়ে অধিকাংশ দেশে সাধারণের অস্ত্রধারণ যেমন বেআইনি, ইতিহাসে সবসময় তেমন ছিল না। ফলে এখন অস্ত্রধারী হলেই যেভাবে দেখা হয়, অতীতে তেমনটা ভাবার কোনো কারণ ছিল না।


ইতিহাস
প্রথম সুসংগঠিত জঙ্গিগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি পায় ইহুদিদের সংগঠন হাগানাহ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত কাল পরেই বেশ কিছু ইহুদিবাদী জঙ্গি সংগঠন বিকশিত হয়। এর মধ্যে হাগানাহ ছিল বড়। আরও ছিল সন্ত্রাসবাদী ইহুদি সংগঠন ইরগুন এবং স্টার্ন গ্যাং। ইরগুন নেতা ছিলেন উন্মাদ আরববিরোধী মোনাচেম বেগিন, যিনি পরবর্তীতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। স্টার্ন গ্যাং-এরও নেতা ছিলেন ইসরাইলের ভাবী প্রধানমন্ত্রী কুখ্যাত ইজ্যাক সামির। সশস্ত্র কমান্ডো দল প্যালম্যাকের নেতা ছিলেন আর এক ভাবী প্রধানমন্ত্রী জঘন্য বর্ণবাদী ইজ্যাক রবীন এবং যুদ্ধোন্মাদ মোশে দায়ান। এদের সমন্বয়ে জায়নবাদীরা তখন ৫০ হাজার সৈন্যের এক বাহিনী গড়ে তোলে। অল্পদিনের মধ্যেই তা ৮০ হাজারে উন্নীত করা হয়। স্থলবাহিনী ছাড়াও জায়নবাদীদের ছিল ছোট আকারের একটি বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী, ছিল ট্যাঙ্ক বহর, সাঁজোয়া যান ও ভারী কামান। এই বাহিনীর কাজ ছিল ফিলিস্তিনি-আরবদের তাদের মাতৃভূমি থেকে জাতিগতভাবে মুছে ফেলে সেখানে একটি ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।পরবর্তীতে জঙ্গি গোষ্টী হিসেবে আলকায়েদা, বোকোহারাম, আই এস এর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেখ যোগ্য।

Monday, October 9, 2017

ICAN(আইক্যান)


ICAN(আইক্যান)


International Campaign to Abolish Nuclear Weapons বা ICAN. ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ১৯৮৫ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সংস্থা “International Physicians for the Prevention of Nuclear War”ফিনল্যাণ্ডের হেলসিঙ্কিতে তাদের দ্বিবার্ষিক কংগ্রেসে ICAN প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রহণ করে।২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে ICAN প্রতিষ্ঠার জন্য তহবিল গঠন করা হয় এবং ২০০৭ সালের ৩০ এপ্রিল অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons এর রাষ্ট্র সমূহের সভার মাধ্যমে ICAN প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি অমুনাফাভোগী সংস্থা।এর সদরদপ্তর সুইজারল্যাণ্ডের জেনেভায় অবস্থিত।১০১টি সদস্য রাষ্ট্রের মোট ৪৬৮টি অংশিদারি প্রতিষ্ঠান এর সদস্য।তন্মোধ্যে বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠান...PSR বা Physician For Social Responsibility(১৯৬১) এবং CBS বা Center For Bangladesh Studies আইক্যান এর সদস্য। ICAN এর মূল লক্ষ্য হলো পৃথীবি থেকে পরমানু অস্ত্র দূর করা এবং বিশ্বকে Nuclear Weapons Free করা।পরমানু অস্ত্রের ভয়াবহ পরিণতির প্রতি দৃষ্টি আকর্শন করা এবং এই অস্ত্রকে নিষিদ্ধ করার জন্য চুক্তি সম্পাদনের চেষ্টার জন্য সংস্থাটি ২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।উল্লেখ্য যে ৭ জুলাই ২০১৭ তারিখে এই সংস্থার উদ্যেগে ১২২টি দেশ পারমানবিক অস্ত্র নিষিদ্ধ করণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ICAN এর বর্তমান নির্বাহী পরিচালক বিয়াত্রিচ ফিন যিনি সুইডেনের নাগরিক।

Friday, July 14, 2017

“বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ”

“বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ”

    
লর্ড ওয়েলেসলি ভারতের গভর্ণর নিযুক্ত হওয়ার পর লক্ষ্য করলেন যে, বিলেত থেকে যেসব সিভিলিয়ান কর্মচারী এদেশে আসে, তারা এদেশের ভাষা না জানাতে শাষন ও শোষনে বিঘ্নতা দেখা দেয়।ফলে এই সমস্যার সমাধানের জন্য ১৮০০ সালের ৯ জুলাই গভর্ণর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি ও তার কাউন্সিলরদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতার লালবাজারের নিকটে ‘ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। যেখানে সিভিলিয়ানরা এদেশের ভাষা,সাহিত্য, ভূগোল, ইতিহাস, আইন-কানুন ইত্যাদি শিখতে পারবে।

Friday, March 18, 2016

আব্দুল লতিফ ফুলতলী

আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলী

জন্ম ও বংশ পরিচয়
আল্লামা আব্দুল লতিফ চৌধুরী ১৩২১ বাংলার ফাল্গুন মাসে অর্থাৎ ১৯১৩ সালের প্রথম দিকে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার ফুলতলী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।তার পিতার নাম মুফতি আব্দুল মজিদ। তিনি হযরত শাহ জালাল রহ. এর সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম হযরত শাহ কামাল রহ. এর বংশধর ছিলেন।আল্লামা আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলী রহ. ছিলেন একজন সুপরিচিত আলেমে দ্বীন, তরীকতের মুর্শিদ এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী বিশিষ্ট বুযুর্গ

বাল্য জীবন
আল্লামা ছাহেব কিবলা (রহ.) এর বাল্য জীবন এবং কৈশোর জীবন ছিল বেদনাভরা জীবন। স্নেহময়ী মাতা শৈশবকালেই বিদায় নেন। তাঁর কৈশোর জীবনে পদার্পণের আগেই বুযুর্গ পিতা ইহলোক ত্যাগ করেন। বাল্যকালে শ্রদ্ধেয় পিতা-মাতাকে হারিয়ে ছাহেব কিবলা (রহ.) পিছিয়ে পড়েন নাই। শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং গোটা বিশ্বের মানুষের দোরগোড়ায় ইসলাম প্রচারের বিশাল এক মিশন সফল করার জন্য বাল্যকাল থেকে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের জ্ঞানের ভাণ্ডারে ব্যুৎপত্তি অর্জনের জন্য, পথহারা বিশ্বের মানুষকে পথ দেখানোর জন্য তিনি খালিস নিয়তে অজিফা আমল সহকারে কোরআন ও হাদিসের অতল সাগরে ডুবুরী সেজে মণি-মুক্তা আহরণে আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর বাল্যকালটি ছিল জ্ঞানের ভাণ্ডার পূরণের কাল এবং ইলমে মারিফাত ও তাছাউফে নিমগ্ন হওয়ার প্রাথমিক কাল।

Sunday, May 24, 2015

স্মৃতির পাতায় ইসলামিক স্টাডিজ

স্মৃতির পাতায় ইসলামিক স্টাডিজ


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১২ সালের ২৭ মে বঙ্গীয় সরকার কর্তৃক ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিটি গঠিত হয় যার অন্যতম প্রধান সদস্য ছিলেন তৎকালীন ঢাকা মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট শামসুল উলামা আবু নসর মুহম্মদ ওহীদ।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন হেড অব ডিপার্টমেন্ট ছিলেন।প্রথমে নাথান কমিটি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগকে একটি অনুষদ করার প্রস্তাব উপস্থাপন করে এবং সন্মান কে BI(ব্যাচেলর অব ইসলামিক স্টাডিজ) এবং মাস্টার্সকে MI(মাস্টার্স অব ইসলামিক স্টাডিজ) করার প্রস্তাব রাখেন। কিন্তু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিচ্ছায় দুটি দাবিই ভেস্তে যায় এবং তা BA ও MA করা হয়।স্যার শামছুল উলামা আবু নসর মুহম্মদ ওহীদ আসামের শিক্ষামন্ত্রীর দ্বায়িত্বও পালন করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক ইস্টাডিজ বিভাগের হেড অব ডিপার্টমেন্ট জে.ডব্লিউ. হুইক একজন ইউরোপীয় খ্রিষ্টান ছিলেন।তিনিই বিভাগের একমাত্র অন্যধর্মাবলম্বী হেড অব ডিপার্টমেন্ট ছিলেন।
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র ড.সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্র যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ ভিসি।
তাছাড়া ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর জ্যেষ্ঠ কন্যার জামাতা ড. সিরাজুল হক দীর্ঘ ২২ বছর এই বিভাগের হেড অব ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।স্বীয় শশূরের ন্যয় তিনিও বহু ভাষা আয়ত্ত্ব করেন।তিনি কলা অনুষদের দুইবার নির্বাচিত ডীন ছিলেন।এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দায়িত্বও পালন করেছেন।তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাদ্যক্ষ এবং পরে ভিসি ছিলেন।তিনি স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদক সহ বিভিন্ন পদক লাভ করেন।তিনি জাতিসংঘ এবং হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন।এছাড়া তিনি ইউরোপ, আফগানস্তান, পাকিস্তান সহ ১৯টি দেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেছন।

এরপর বিভাগের যে পণ্ডিতের নাম আসে তিনি হলেন ড. মোহাম্মদ এসহাক।শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের মাত্র ৮৫ দিনের মাথায় তিনি সমগ্র কুরআন মুখস্থ করনে।তার নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরীর নামকরণ হয়েছে।এছাড়াও এ বিভাগের ছাত্র আব্দুর রহমান বিশ্বাস সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিষ্ঠায় তার অসামান্য অবদান ছিল।তাছাড়া বর্তমান রাশেদ খান মেননের পিতা আব্দুল জব্বার খান ছিলেন এই বিভাগেরই এবং তিনি সাবেক স্পীকার ছিলেন।কথা সাহিত্যিক আবুল ফজল ছিলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ছাত্র।সর্বপরি আমাদের সবার প্রিয় ড. আ.ন.ম. রইস উদ্দিন স্যার।তিনি ১৯৯৮ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত বিংশ শতাব্দির ২০০০ outstanding People এর মধ্যে একজন।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলে এই বিভাগের প্রথম মহিলা শিক্ষক হিসেবে ২০১৫ সলে নিয়োগ লাভ করেন কাজী ফারজান আফরীন।

লেখক: মো:পারভেজ আহম্মদ-ISDU 5th Batch

লাল নীল দীপাবলি


অসমাপ্ত আত্মজীবনী




Click On the Photo to Download The Unfinished Memoirs in Bangla...................



অসমাপ্ত আত্মজীবনী


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লিখিত আত্মজীবনী মূলক প্রথম গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’।২০১২ সালের জুন মাসে বইটি ‘দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড’ থেকে প্রকাশিত হয়।বইটির প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদ,প্রচ্ছদ সমর মজুমদার এবং গ্রন্থস্বত্ব ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড.ফকরুল আলম স্যার ‘The Unfinished Memoirs’ নামে বইটির ইংরেজি অনুবাদ করেন।১১ অক্টোবর ২০১৮ সাল পর্যন্ত বইটি মোট ৮টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়।সর্বশেষ স্প্যানিশ ভাষায় অনুদিত হয়।হিন্দি ভাষায় বইটি অনুবাদ করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রাণলায়।১৯৬৭-১৯৬৯ সালে কারাকারে থাকাকালীন বঙ্গবন্ধু বইটি লেখেন।বইটি লিখতে বঙ্গবন্ধুকে প্রেরণা দেন তার স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৪ সালে ফজলুল হক মনির ড্রয়ার খেকে এর মূল পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করেন।২০০৭ সালের ৭ আগস্ট সাব জেলে থাকাকালীন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বইটির ভূমিকা লেখেন।বইটিতে বঙ্গবন্ধু তাঁর পূর্ব পুরুষদের ইতিহাস সহ বাল্যকাল থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত নিজের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা লিপিবদ্ধ করেছেন।প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে চট্টগ্রামর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষের পাঠ্যসূচীতে বইটির ইংরেজি অনুবাদ The Unfinished Memoirs অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

Sunday, May 3, 2015

Paragraph on Child labor In Bangladesh

Child labor In Bangladesh

Child labor is one of the major problems in developing countries including Bangladesh. If a child is made to work from, an early age with no scope of going to school is called child labor. There are several causes of child labor. Poverty is the main cause of it. Because of poverty, children have to engage themselves in different risky works with a view to earning their livelihood. According to UNICEF, the total number of children in Bangladesh is 61.3 millions. A survey of BIDS, the number of street children is 6,79,728 and this number will increase in 11,44,754. In fact, it is a alarming news for Bangladesh. It is estimated that the number of worker children in Bangladesh is 7.4 millions. The number of children who work as servant at household is 50,000. It is impossible to take any kind of progressive activities due to child labor. It is a great hindrance to the national development for any country. Government can provide the rules for saving the children. We must work together to get rid of child labor.

Paragraph on How to use Internet



How to use Internet

Internet has been the most useful technology of the modern times which helps us not only in our daily lives, but also all personal and professional lives developments. The Internet helps us achieve this in several different ways. If we want to use internet we should need some things including internet connectionable device, internet connection(modem, Broadband,WiFi etc.), browser (internet explorer, Mozilla Firefox, Google chrome etc)search engine(google,yahoo,msn etc,) web site such as-(www.education.com, www.prothom-alo.com etc.) Firstly we should connected the device to the internet. Then we should open the browser and open search engine. Then we should write the web site or our needed think onto the search engine. By this way we can use internet.




Paragraph on Gender discrimination

Gender discrimination

Gender discrimination means to create difference between men and women. Specially in the third world countries women is considered inferior to men. In spite of their having merits and capabilities, they are not given what they deserve. They are working in the family and out side the family, but their contribution is not seen with due honour. There are various reasons why women are not given equal rights. Firstly most of the people of our country are not educated. They fail to see the potentialities of the women and the contribution they have made in different sectors of our life.Secondly people of our country are superstitious. They do not know their religion properly. In religion men and women have been given equal position. But in the name of religion they try to dominate over women and do not give opportunity to flourish. Female children are the worse sufferers. Even their birth is not received warm heartedly where at the birth of male children they distribute sweets to express their happiness. The female children are considered burden of the family. They are not given equal food, equal opportunity for education. They become objects of negligence and victims of social injustice. This is a great problem which is to be solved. If our people are educated and given proper knowledge of religion they will understand the value of woman and can learn about the contribution they are making. If our female children are groomed up properly they will be able to carry any responsibility bestowed upon them and our society will advance very quickly.

Paragraph on May Day

May Day

May day is a glorious day in the history of the laborers worldwide. First day of the month of May is observed as the May Day. It is observed to show respects to demands of the laborers. The history behind it is very sorrowful. On May 3,1886, some workers gathered in demand of a minimum wage, safety laws, and eight hour work hours in a working day. Police fired in the crowd of strikers at the Mc Comick Harvest Machine Company, Chicago. Here at least one people was killed and some others were seriously wounded. At the beginning of Industrial Revolution people had to work long hours both day and night. It was simply inhuman. It stopped when all laborers stood up. If the workers would not stand up and demand their rights, their future generation would fail to enjoy all the productive privileges of the present day laborers. The day is most important for all the laborers both manual and mental worldwide. We need to observe it quite carefully and properly.

Monday, January 5, 2015

হযরত জুনায়েদ বাগদাদী (রহঃ)



হযরত জুনায়েদ বাগদাদী (রহঃ)



হযরত জুনায়েদ ইরাকের বাগদাদ নগরীর অধিবাসী ছিলেন। তিনি ছিলেন পীরানে-পীর এবং মা’রিফাতের বাদশাহ তুল্য। তিনি যবরদ্স্ত আলেম ও মুফতী এবং ধর্মীয় বহু শাস্ত্রে পন্ডিত ছিলেন। অমিয় উক্তি এবং সূক্ষ্ম ঈঙ্গিতপূর্ণ বাণী করতে তাঁর সমতুল্য কেউ ছিল না। প্রথম হতে শেষ পযর্ন্ত তিনি সকলের নিকট সম্মানিত ছিলেন। তাঁর পূর্বাপর সকল অবস্থা সকলের নিকট আদরণীয় ও প্রশংসনীয় ছিল এবং তিনি দল-মত নির্বশেষে সকলের ইমামরূপে বরেণ্য ছিলেন। তাঁর বাণী তরিকত শাস্ত্রে দলীলরূপে পরিগণিত হয়ে থাকে। সকলের মুখেই তাঁর প্রশংসা শোনা যায়। কেহই তাঁর যাহেরী ও বাতেনী ইলমে দোষারোপ করতে পারেনি। তিনি সুফীদের সরদার ও নেতা ছিলেন। তাঁকে ‘লেসানুল কওম’ বা জাতির মুখপাত্র বলা হত। তিনি নিজেকে ‘আবদুল মাশায়েখ’ অর্থাৎ পীরদের খাদেম বলে নিজ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তাঁকে ‘তাওসুল উলামা’ এবং ‘সুলতানুল মুহাক্কেকীন’ও বলা হতো। তিনি শরীয়ত, তরীকত ও হাকীকতের গভীর তলদেশে পৌঁছে ছিলেন। তিনি ‘ইশক’ (প্রেম) ও যোহদে (সাধনায়) অতুলনীয় ছিলেন। তিনি তরীকতের যুগ-প্রবর্তক ইমাম ছিলেন। বহু মাশায়েখ তাঁর মাযহাবের অন্তর্ভূক্ত হন। তরীকতে তাঁর মাযহাবই সবচেয়ে বড় এবং মশহুর (বিখ্যাত)। সে সময়ে তিনি সকল মাশায়েখের কেন্দ্রস্থল ছিলেন। তিনি বহু গ্রন্থ রচনা করেন। মা’রিফাত তাঁর সাহায্যেই বিস্তৃতি লাভ করে, এটা বললে খুব একটা বাড়িয়ে বলা হবে না। তাঁর এই উচ্চ মযার্দা ও অসীম গুণাবলী থাকা সত্ত্বেও হিংসুটে দুশমনরা তাঁকে কাফের ও যিন্দিক বলতেও কুন্ঠিত হতো না। তিনি হযরত মুহাসেবীর (রহঃ)ও সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন। তিনি হযরত সররী সকতীর (রহঃ) ভাগিনা ছিলেন। একবার হযরত সররী সকতী (রহঃ)-কে লোকে জিজ্ঞেস করেছিল, “কোনও মুরীদ কি পীরের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে পারে’’ ? হযরত সররী সকতী (রহঃ) বললেন, “হ্যাঁ, নিশ্চয় ! তার প্রকাশ্য প্রমাণ ত এটাই যে, জুনায়েদের পদ ও মযার্দা আমার চেয়ে অনেক উচ্চে”।

Saturday, December 13, 2014

মৃতকে গোসল দেয়ার পদ্ধতি

মৃতকে গোসল দেয়ার পদ্ধতি

মৃতের গোসল, কাফন, জানাযার ছালাত এবং দাফন করা ফরযে কেফায়া। (অর্থাৎ কিছু লোকে কাজটি করলে অন্যরা দায়মুক্ত হবে। অন্যথা সকলেই গুনাহগার হবে)

গোসল দেয়ার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম সেই ব্যক্তি হকদার, যার ব্যাপারে মৃত ব্যক্তি ওছিয়ত করে গিয়েছে। তারপর তার পিতা। তারপর অপরাপর নিকটাত্মীয়। আর মহিলার গোসলে প্রথম হকদার হল তার ওছিয়তকৃত মহিলা। তারপর তার মা। তারপর তার মেয়ে। তারপর অন্যান্য নিকটাত্মীয় মহিলাগণ।

স্বামী-স্ত্রী পরষ্পরকে গোসল দিতে পারবে। রাসূলুল্লাহ্ (ছা আয়েশা (রা কে বলেন: “তোমার কোন অসুবিধা নেই, তুমি যদি আমার আগে মৃত্যু বরণ কর, তবে আমি তোমার গোসল দিব।” (আহমাদ, হাদীছ সহীহ্) আর আবু বকর (রা ওছিয়ত করেছিলেন যে, তার স্ত্রী যেন তাঁকে গোসল দেয়। (মুসান্নাফ আবর্দু রাজ্জাক- হা/৬১৬৭)

Friday, December 12, 2014

উত্তম ও অধম (শেখ সা’দী, অনুবাদ : সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত)

উত্তম ও অধম

 (শেখ সা’দী, অনুবাদ : সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত)

কুকুর আসিয়া এমন কামড়
দিল পথিকের পায়,
কামড়ের চোটে বিষদাঁত ফুটে
বিষ লেগে গেল তায়।

ঘরে ফিরে এসে রাত্রে বেচারা
বিষম ব্যথায় জাগে,
মেয়েটি তাহার তারি সাথে হায়
জাগে শিয়রের আগে।

বাপেরে সে বলে র্ভৎসনা ছলে
কপালে রাখিয়া হাত,
তুমি কেন বাবা, ছেড়ে দিলে তারে
তোমার কি নাই দাতঁ?

কষ্টে হাসিয়া আর্ত কহিল
“তুই রে হাসালি মোরে,
দাঁত আছে বলে কুকুরের পায়ে
দংশি কেমন করে?”

কুকুরের কাজ কুকুর করেছে
কামড় দিয়েছে পায়,
তা বলে কুকুরে কামড়ানো কিরে
মানুষের শোভা পায়?

Monday, March 24, 2014

Pastime

Pastime




The activities we do regularly for pleasure rather than work are called pastimes. Pastimes provide us with the opportunities of rest and recreation. In Indian sub-continent, people of both villages and cities have their own pastimes. Usually village people spend their pastimes by chatting and by doing various sociology-cultural activities. Some village children and boys play different kinds of rural games like ‘Ha-du-du’, boat racing, kiting, fishing, searching for birds and nests on trees. Some of them play football, cricket, badminton, volley-ball and so on. The village women and girls usually stay at home and spend their pastimes by gossiping, sewing and embroidering. The people in towns are generally educated and they spend their pastime reading newspapers, magazines, novels and other literary works. They also participate in the discussions on political issues at tea stalls. The younger generation in cities is very much fond of playing cricket, operating computer, driving motor-bike, cycling and reading books. The women in towns are fond of watching drama and films on television and listening music. In fact, common pastime for all walks of people in villages and towns is watching television.

Thursday, March 13, 2014

Computer Generation

Q. Mention the characteristics of all Computer Generation.


Computer generations:

             Five computer generations are as follows:

Generation
Time
First
From 1942 to 1955.
Second
From 1955 to 1964.
Third
From 1964 to 1975.
Fourth
From 1975 to 1989.
Fifth
From 1989 to Present.


Characteristics of First generation Computers:

                Major Characteristics of this computer are given below:

1.       They were the fastest calculating devise of their time.

2.       They were too bulky in size.

3.       They were highly unreliable.

4.       They had limited to commercial use.

5.       Commercial production of these computers was difficult and costly.

6.       They were difficult to use.

Characteristics of Second Generation Computers:

                Major Characteristics of this computer are given below:

      1.       They were faster than first generation computers.
    
      2.       They were smaller than first generation computers.

      3.       They were more reliable and easier to program than previous generation systems.
    
     4.       They were less expensive to produce.

     5.       Commercial productions of these computers were still difficult and costly. 

Characteristics of Third Generation Computers:

                Major Characteristics of this computer are given below:

       1.       They were faster than previous generation computers.

        2.        They were smaller than previous generation computers.

        3.       They were more reliable and easier to use.

       4.       They were easier and cheaper to produce commercially.

       5.       They were easier to upgrade than previous generation systems.

       6.       They were easier to produce commercially.

Characteristics of Fourth Generation Computers:

                Major Characteristics of this computer are given below:

      1.       They were small and reliable.

      2.       They were easy to use PCs.

      3.       They were more powerful and reliable mainframe systems.
   
      4.       They were totally general purpose machines.

       5.       They were easier to produce commercially.

Characteristics of Fourth Generation Computers:

                Major Characteristics of this computer are given below:

       1.       These computers are portable.

       2.       They are more powerful and cheaper.

       3.       They are easier to use desktop machines.

      4.       They have very powerful mainframe systems.

      5.       They are easier to produce commercially.

      6.       These are more developed from all computers off different Generations.



                                                                         Md.Parvej Ahmmed