রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশ
রোহিঙ্গা পরিচিতি
রোহিঙ্গা একটি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী যারা নিজ দেশেও পরবাসী। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়। আরাকানী মুসলিমরা সেখানে হাজার বছর ধরে বসবাস করলেও বাংলাভাষী ও মুসলিম হওয়ার কারনে তারা মিয়ানমারের সরকার ও নাগরিকদের কাছে বিদেশী,বাঙ্গালি বা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে পরিচিত। জাতি সংঘ রোহিঙ্গাদের "বিশ্বের সবচেয়ে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী " হিসেবে অভিহিত করেছেন।
কারও কারও মতে রোসাঙ্গ থেকে রোহিঙ্গা শব্দটির উদ্ভব।নবম-দশম শতকে আরাকান রাজ্য রোহান কিংবা রোহাঙ নামে পরিচিত ছিল।রোহিঙ্গা শব্দটি রোসাঙ্গ শব্দটি থেকে এসেছে। সেই অঞ্চলের অধিবাসী হিসেবেই রোহিঙ্গা শব্দের উদ্ভব।
কারও কারও মতে, রোহিঙ্গা শব্দটি রেঙ্গুন শব্দের পরিবর্তিত রুপ।সেই মতে রেঙ্গুনে বসবাসকারী বার্মিজ সম্প্রদায় রোহিঙ্গা নামে পরিচিত।
কারও কারও মতে আফগানিস্তানের রোহিঙ্গা জেলা থেকে আগত হওয়ার কারনে এই নামকরন।তাদের মতে, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বীন বখতিয়ার খলজীসহ বাংলার মুসলমান বিজেতা ও শাসকগোষ্ঠী ইসলাম প্রচার ও প্রসারের জন্য আফগানিস্তানের রোহিঙ্গা জেলা থেকে কিছু লোককে ধর্ম প্রচারের জন্য আরাকানে পাঠিয়েছিলেন। সেই মতে তাদের নামানুসারে নাম হয় রোহিঙ্গা।





