Friday, March 9, 2018

Geographical Indication (GI)


Geographical Indication (GI)



Geographical Indication (GI)
GI-এর পূর্ণরূপ হলো Geographical Indication  যার বাংলা অর্থ হলো ‘ভৗগলিক নির্দেশক। GI পণ্য বলতে ভৌগলিক নির্দেশক পণ্যকে বোঝায়। GI হলো এমন একটি নাম বা সাইন যা একটি নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য ব্যবহার করা হয়। যা কোন একটি নির্দিষ্ট এলাকার পণ্যের পরিচিতি বহন করে। এতে পণ্যটি ঐ দেশের পন্য হিসেবে বিশ্ববাজারে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়। মেধাসত্ব বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা World Intellectual Property Organization(WIPO) সাধারণত ভৌগলিক নির্দেশক নিবন্ধন দেয়।WIPO এর সদর দপ্তর জে‌নেভা এবং এর বর্তমান সদস‌্য রাষ্ট্র ১৯৩‌টি। বাংলা‌দেশ ১৯৮৫ সা‌লে WIPO এর সদস‌্যপদ লাভ ক‌রে।বাংলাদেশে WIPO এর হয়ে স্থানীয় ভাবে কাজটি করে থাকে শিল্প মন্ত্রাণলায়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT).বাংলাদেশ ৬ নভেম্বর ২০১৩ ভৌগলিক নির্দেশক পন্য আইন করে ২ আগস্ট ২০১৫ বিধিমালা জারি করে। ২০১৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন(BSCIC) ঢাকাই জামদানি শাড়িকে  GI পণ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্তির জন্য  DPDT তে আবেদন করে। ১৭ নভেম্বর ২০১৬, দেশের প্রথম GI পন্য হিসেবে ঢাকাই জামদানি শাড়ি স্বীকৃতি লাভ করে। ৬ আগস্ট ২০১৭, DPDT  জাতীয় মাছ ইলিশকে GI পণ্য হিসেব স্বীকৃতি দেয়।জামদানি ও ইলিশের পর ৩য় GI পন্য হিসেবে ২৭ জানুয়ারী ২০১৯  স্বীকৃতি পায় চাপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরসাপাতি আম। এ পর্যন্ত (জুন-২০২৬) স্বীকৃতি পাওয়া GI পন্য হলো-
 ১. জামদানি শাড়ি
২. বাংলাদেশ ইলিশ
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম
৪. বিজয়পুরের সাদামাটি
৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ চাল
৬. রাজশাহীর সিল্ক
৭. নাটোরের কাঁচা গোল্লা
৮. রংপুরের শতরঞ্জি
৯. বগুড়ার দই
১০. কুমিল্লার রসমালাই
১১. টাঙ্গাইল শাড়ি
১২. সুন্দরবনের মধু
১৩. বাগদা চিংড়ি
১৪. কালিজিরা চাল
১৫. ফজলি আম
১৬. শেরপুরের তুলশীমালা ধান
১৭. মুক্তাগাছার মণ্ডা
১৮. অষ্টগ্রামের পনির
১৯. গোপালগঞ্জের রসগোল্লা
২০. জামালপুরের নকশিকাঁথা
২১. হাজরাপুরী লিচু
২২. মধুপুরের আনারস
২৩. ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই
২৪. নরসিংদীর লটকন
২৫. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছানামুখী

নোট: জিআই তালিকার সংখ্যা সময়ের সাথে বাড়ছে, তাই সর্বশেষ সরকারি DPDT তালিকায় সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।


 
 

No comments: