Monday, January 11, 2021

ICT---Data Communication

                                                             Data Communication

Data Communication বা তথ্য যোগাযোগ মাধ্যম তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ

                1. ‍Simplex 

                2. Half-Duplex 

                3. Full-Duplex

Friday, November 27, 2020

না বলা কথা

 

না বলা কথা



প্রেসির দেখা যে আবার পাবো এমনটা কল্পনাও করিনি!কাল ওর সাথে আবারও দেখা হলো স্বপ্নে!স্বপ্ন হলেও যেন সত্য ওর সাখে দেখা হয়েছে পুরোনো দিনের মতইযখন চলে যাচ্ছিল তখন বেদনায় বুকটা ঘুমের মধ্যেও যে শূন্য হয়ে যাচ্ছিল তা আমি অনুভব করেছিলাম

ওর আসল নাম প্রেসি তবে আমি ওকে পারু নাম দিয়েছিলামআমার সবচেয়ে প্রিয় নাম এটিআমি নিজেও জনসমাজে পার্বতী পারু নামে পরিচিতগত বর্ষায় প্রেসির সাথে আমার প্রথম দেখাশুরুতেই মস্তবড় ভুল করে বসলামপেছন থেকে দেখেই আমার বন্ধু আসু মনেকরে সজোরে একটা চড় বসিয়ে দিলাম প্রেসির পিঠেযখন দেখলাম নাক চ্যাপ্টা মেমে সাহেব,এটা আসু নয় তখন পালাবার আপ্রাণ চেষ্টা করেও কোনো লাভ হলো নাআমাদের দেশের বাঙালী বাবুরা ততক্ষণে আমায় ঘিরে ফেলেছেএখন শুধু অনুমতির পালাপ্রেসি অনুমতি দিলেই বাবুরা আমাকে আলুভর্তা করে ফেলবেকিন্তু ঘটনা হলো অন্যরকমপ্রেসি নিজেই আমাকে রক্ষা করলো

ভাষা সৈনিক হালিমা খাতুন

 ভাষা সৈনিক হালিমা খাতুন



1. জন্মঃ তিনি ১৯৩৩ সালের ২৫শে আগস্ট বাগেরহাট জেলার সদর থানার বাদেকাড়াপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

2. শিক্ষাঃ 
            ** বাদেকাড়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়
            ** মনমোহনী গার্লস কলেজ
            ** পি.সি. কলেজ বাগেরহাট
            ** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Friday, August 7, 2020

সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

 


1. ২৬শে জুন ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তর্গত কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
2. তাঁর উপাধি  ‘সাহিত্যসম্রাট
3. ‍তিনি কমলাকান্ত ছদ্মনামে লিখতেন।
4.তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ললিতা তথা মানস (১৮৫৬)
5.তাঁর তথা বাংলাসাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস  দুর্গেশনন্দিনি (১৮৬৫)

Sunday, July 19, 2020

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রধান সাহিত্যকর্ম

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
1. তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনিপুর জেলার বীরসিংহে  জন্মগ্রহণ করেন।
2. তাঁর পারিবারিক নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় তবে তিনি স্বাক্ষর করতেন ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামে।
3. তাঁর আত্মজীবনী ‘ আত্মচরিত’। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম আত্মজীবনী।
4.তাঁর প্রচেষ্টায় ২৬ জুলাই ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।
5. তিনি বাংলা গদ্যের জনক।
6. তিনি বাংলা সাহিত্যে বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্নের প্রবর্তন করেন।
7. ১৮৪৭ সালে  ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থের দশম সংস্করনে বিরাম চিহ্নের প্রথম ব্যবহার করেন।
8. তিনি ১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
9. তাঁর রচিত  ‘প্রভাবতী সম্ভাষন’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম শোকগাঁথা।
10.১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন।
11. ১৮৪১ সালের ২৯ ডিসেমম্বর তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড পণ্ডিত নিযুক্ত হন।

Friday, July 17, 2020

পল্লী কবি জসীমউদ্দীন এর প্রধান সাহিত্যকর্ম

জসীমউদ্দী

১৯২০ কি ১৯২১ সালের কথা,সমগ্র কোলকাতায় হৈ চৈ পড়ে গিয়েছে দশম শ্রেণী পড়ুয়া ছেলের কবিতায়, আর পাঠ্যপুস্তক কমিটিও ডিগ্রি ক্লাসে পাঠ্যভুক্ত করে ফেললো কবিতাটি, সেই সাথে তিনিও হয়ে গেলেন পৃথিবীর প্রথম সৌভাগ্যবান কবিদের মধ্যে অন্যতম কবি যিনি নিজের লেখা কবিতার প্রশ্নোত্তর লিখে ডিগ্রি পাস করেন।এরপর ড.সেন এর উপযুক্ত শিষ্য হিসেবে বাংলার জেলাগুলোর বিশেষভাবে ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ জেলার মানুষের মুখে পঠিত গীত-পুঁথি সংগ্রহ ও গবেষণা (কাব্য-লোকগাথা) করেন এবং লোকসংস্কৃতির উপাদান প্রত্যক্ষ করেন। প্রকৃতি উত্সারিত স্বাভাবিক ও মৌলিক লোকজ ধারাটি তাঁর আগে আর কেউ তেমন সহজভাবে আধুনিক কাব্যধারার সঙ্গে এক করতে সক্ষম হননি। তিনি ছিলেন আপদমস্তকে খাঁটি কবি এবং তাঁর অমর সাহিত্যকর্মই কালজয়ী ইতিহাস।তিনি আমাদের পল্লীকবি জসীম উদ্দীন

কাজী নজরুলের প্রধান সাহিত্য কর্ম


কাজী নজরুল ইসলাম



1. কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে, ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

2. তাঁর পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ এবং মাতার নাম জাহেদা খাতুন।

3. ১২ বছর বয়ষে তিনি লেটোর গানের দলে যোগদান করেন।তিনি পালা গান রচনা করতেন।

4. তিনি ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ৪৯ নং বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন।


5. তিনি বাংলাদেশের রণ সঙ্গীত (চল্ চল্ চল্) এর রচয়িতা।১৯২৮ সালে ঢাকার শিখা পত্রিকায় “

নতুনের গান” শিরনামে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।এই কবিতার প্রথম ২১ লাইন বাংলাদেশের রণ

সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত। এবং এটি নজরুলের “সন্ধ্যা” কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

Tuesday, July 14, 2020

NATO



NATO




NATO or North Atlantic Treaty Organization is an international alliance that consists of 30 member states from North America and Europe. It was established at the signing of the North Atlantic Treaty on 4 April 1949. Article Five of the treaty states that if an armed attack occurs against one of the member states, it shall be considered an attack against all members, and other members shall assist the attacked member, with armed forces if necessary.
 
Of the 30 member countries, two are located in North America (Canada and the United States), 28 are in Europe, one of which (Turkey) is in both Europe and Asia. All members have militarizes, except for Iceland, which does not have a typical army (but it does have a coast guard and a small unit of civilian specialists for NATO operations). Three of NATO's members are nuclear weapons states: France, the United Kingdom, and the United States. NATO has 12 original founding member nation states, and from 18 February 1952 to 6 May 1955, it added three more member nations, and a fourth on 30 May 1982. After the end of the Cold War, NATO added 14 more member nations (10 former Warsaw Pact members and four former Yugoslav republics) from 12 March 1999 to 27 March 2020.Last member country is North Macedonia (27 March 2020).

Saturday, December 7, 2019

পিতা

পিতা(১৩.০৬.২০১৪)


জগতে পিতামাতার স্নেহ বা আদর কোনটাই বদির ভাগ্যে জুটে নাই।ভূমিষ্ঠ হইবার পূর্বেই পিতামাতার বিচ্ছেদ বদির ভাগ্য থেকে পিতৃস্নেহ ছিনিয়া লইয়াছে।ভূমিষ্ঠ হইবার পর পিতার পরিচয় পাইলেও পিতার সহিত তাহার সাক্ষাত হইয়া ওঠে নাই। সুতরাং পিতাকে সে নামে চিনিলেও বাস্তবে চিনে না।

জগতে আসিবার পূর্বেই যাহার পিতৃস্নেহ বিলীন হয় উহার ভাগ্য কতটা সুপ্রসন্ন কেবলমাত্র বিধাতাই তাহা বলিতে পারেন।কোন মানুষের পক্ষে তাহা অনুধাবন করা সম্ভব নয়।আর সম্ভব নয় বলেই বদির ভাগ্য তাহাকে দ্বিতীয়বার ফাঁকি দিল। তাহার মাতার দ্বিতীয় বিবাহ তাহাকে নিঃশ্ব করিয়া দিল। জগতে তাহার আর কিছুই রইল না।এরুপ পরিস্থিতিতে উহার চিরবিদায় হইলেও আকস্মিক হইবার কিছুই ছিল না।কিন্তু বিধাতা তাহা করেন নাই। বোধ করি এই না করার পেছনে গভীর কোন রহস্য লুকায়িত আছে যাহা আমাদের পক্ষে উদঘাটন করা সম্ভব নয়।

স্পাইডারম্যান


স্পাইডারম্যান


আমাদের এমন ক্রান্তিকালে স্পাইডারম্যান যে সত্যিই আসবে একথা কেউ কল্পনাও করেনি।তবে একথা অবশ্য ঠিক যে স্পাইডারম্যান সব সময় সমস্যা জর্জরিত স্থানে গিয়ে সমস্যার সমাধান করে থাকেন।আমি নিজে স্পাইডারম্যানকে এখনো দেখিনাই।তবে লোকমুখের ভাষ্য অনুযায়ী নিশ্চিত হয়েছি যে তিনি এসেছেন।আমাদের এমন দুঃসময়ে স্পাইডারম্যানের আগমন অনেকটা ভাগ্যের ব্যাপার।তার প্রথম সাক্ষাত পেয়েছেন ঢাকার কমলাপুর সংলগ্ন বস্তিবাসীগণ।গত সপ্তাহে সেখানে দূর্ঘটনাবশত অগ্নিকাণ্ড ঘটে।দমকল বাহিনীর প্রাণপণ চেষ্টার মাঝেই দেখা যায় স্পাইডারম্যান একটি শিশুকে কাঁধে নিয়ে আগুনের মধ্যে থেকে ঝুলতে ঝুলতে আসছে। গণমাধ্যম গুলোতে খবরটি বেশ সাড়াও ফেলেছে।তবে সমালোচনাও কম হচ্ছেনা।

যাত্রা


যাত্রা


শেষ পর্যন্ত ১০ ডিসেম্বরই দিন ঠিক করা হলো। আমার ফুফাতো বোনের বিয়ে। দুই দিন আগে ডিসেম্বর সকালে আমি ঢাকা থেকে রওয়ানা হলাম। ফুফার বাড়ি দক্ষিণাঞ্চলে। ঢাকা থেকে বাসে একদিনের পথ। আমার আসনটি ছিল মাঝামাঝি।আমি আমার আসনটিতে বসলাম এবং যথা সময়ে বাস ছাড়ল। বাস তখন পূর্ণ গতিতে চলছে। হঠাৎ আমার পেছনের দিকে তাকিয়ে দেখি আমার বিপরীত পাশে দেড়-দুই বছরের একটি বাচ্চা আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে।কি মিষ্টি হাসি! বড় বড় দুটি চোখ,মোটা সোটা দেহ আর তার সাথে বাচ্চাটির চাঞ্চল্যতা সবকিছু এতই সক্রিয় ছিল যে, আমার হাত দুটি না বাড়িয়ে পারলাম না।বাচ্চাটির পাশে ছিল ওর মা এবং তার পাশের সিটে বসা বৃদ্ধ লোকটি ওর নানা। অবশ্য এসব আমি পরে জেনেছি

মানিক


মানিক

এই জগতে পিতা-মাতার স্নেহের তুল্য আর কি হইতে পারে? শৈশবে তাহাদের পরম স্নেহের কারনেই বোধকরি একটি শিশু অজানা-অচেনা পৃথিবীতে আসিয়া তাহাকে আপন করিয়া লয়।এক বেলা আহার না করিলে দুঃখ নাই কিন্তু রাত্রি কালে মাতৃক্রোড়ে শায়িত হইবার সুযোগ হারাইলে কষ্টের অন্ত থাকেনা। বোধকরি এইরূপ যন্ত্রনাই মানিকের ওপার যাত্রার অন্যতম প্রধান কারন। 

টোকাই





টোকাই

ছোট বেলাতেই শফি পিতামাতা ছাড়া।১৯৫৮ থেকে পূর্ব পকিস্থানে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করেন।তখন শফির বয়ষ দেড়-দুই বছর।শফির পিতা মাজেদ আলী পেশায় ছিলেন একজন দিন মজুর। ‘৬১ সালে তিনি পাক-সেনাদের হাতে নিহত হন।কি কারনে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল তার কোন হদিস কেউ জানত না।তাঁর স্ত্রী আহেলী খাতুনের ছিল যক্ষা ব্যাধি।স্বামীর মৃত্যুর কয়েক বছর পরই তিনিও বিধাতার ডাকে সাড়া দিয়ে শেষ খেয়ার সঙ্গী হণ।
শফির বয়ষ তখন সাত।পিতামাতার মৃত্যুতে সে এখন একা।আত্মীয় স্বজন যেখানে যারা আছে সবাই নিজেদের চিন্তায় ব্যস্ত।হাজার হলেও শফি একজন মানুষ।পেটের দায়ে তাই সে যশোর ট্রেন স্টেশনে টোকাই হিসেবে কাজ শুরু করে।কিন্তু অত্যাচারের স্ট্রিমরোলারে সমগ্র জাতি যেখানে অভুক্ত,সেখানে টোকাই এর খাবার আসবে কোথা থেকে?
আজ যশোরের এই ট্রেন স্টেশনই তার সবথেকে আপন।সে কোনদিন তাকে দুবেলা অভুক্ত রাখে আবার কোনদিন তিনবেলা।শফি লক্ষ্য করে প্রতিদিন একই পথ ধরে ট্রেন গ্রাম থেকে শহরে পাড়ি ধরে।তার বাল্য মনেও এই পথ ধরে শহরে যাওয়ার সাধ জাগে।অবশেষে দলের চার-পাঁচজন মিলে ট্রেনে চেপে শহরে চলে এল।

বিবাহ


বিবাহ (৩১.০৮.২০১৩)

বাড়িতে পা রাখিবার তিল পরিমান জায়গা নাই।মাঝে মধ্যে দুই চারিজন লোক আসিতেছেন আবার চলিয়া যাইতেছেন।সর্বক্ষনের জন্য ফাঁকা হইতেছে না।বাড়ির কর্তা মিলান মিয়ার হাফ ছাড়িবারও সময় নাই।একবার তিনি নিমন্ত্রনের কাগজখানা হাতে লইয়া দেখিতেছেন কেউ বাদ পড়িল কিনা, আবার তিনি সদয় এর কাগজখানা দেখিয়া লইতেছেন কোন কিছু সদয় করিতে বাকী রহিয়াছে কি না।ক্ষণে ক্ষণে আবার নতুন নতুন বিষয় সদয় তালিকায় স্থান পাইতেছে।বাড়ির বারান্দায় পড়শিদের আসর বসিয়াছে।আসরের মাঝে রহিয়াছেন মিলান মিয়ার মা-পরিজন সহ আরো অনেকে।ক্ষণে ক্ষণে আবার তাহাদের মাঝে কান্নার রোল পড়িতেছে।কেনইবা পড়িবেন? বাড়ির একমাত্র কন্যা পারুর বিবাহ যে দ্বার গোড়ে।
বিবাহের সকল সদয় ক্রয় করা হইয়াছে।তবে কাঁচা তরকারি আর মাছ এখেনো ক্রয় করা হয় নাই।মাছ তিনি নিজের পুকুর থেকেই ধরিবেন। আর কাঁচা তরকারি বিবাহের আগের দিন ক্রয় করিলেই চলিবে।১৬ই  নভেম্বর ২০০৭ কন্যর বিবাহ।যোগাড়যন্তের কোন কমতি রাখেন নাই কন্যার বাপ।আগে ভাগে গরু কিনিয়া নিজ গোয়ালে রাখিয়া তার মেহমানদারি চলিতেছে।সাথে রহিয়াছে এক হালি ছাগল।পারুর চাচা আগে থেকেই ঠিক করিয়াছেন নিজ খামারের অর্ধেক মুরগি পারুর বিবাহে রান্না হইবে।কন্যার চাচা-চাচি, মামা-মামি, খালা-খালু, পড়শী সকলেই তাহার বিবাহে কিছু করিবার আপ্রাণ চেষ্টা চালাইতেছেন।তাহাদের আগ্রহ দেখিলেই বুঝিতে পরা যায়, পারু সকলেরই আদরের কন্য।

Thursday, November 15, 2018

মুনির চৌধুরী

মুনির চৌধুরী 


মুনির চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক “কবর”।১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় সাংবাদিক রণেশদাশ গুপ্তের অনুরোধে তিনি এ নাটকটি রচনা করেন।পরে কারাগারের ভিতরেই নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। তাঁর অন্যন্য নাটকগুলো হলো-----

১. রক্তাক্ত প্রান্তর(১৯৬২)

২.কবর(১৯৬৬-প্রকা‌শিত)

৩. চিঠি (১৯৬৬)

৪. দণ্ডকারণ্য (১৯৬৬)

৫. পলাশীর ব্যারাক ও অন্যন্য(১৯৬৯)

তাঁর অনুবাদমূলক নাটকগুলো হলো------

১. কেউ কিছু বলতে পারে না(১৯৬৯) From "You never can tell" By G.B. Shaw

২.রূপার কৌটা (১৯৬৯) From "The Silver Box" By John Galsworthy.

৩. মুখরা রমনী বশীকরণ (১৯৭০) From "Taming of the Shrew" By W. Shakespeare.



Sunday, October 14, 2018

বব ডিলান

বব ডিলান


২০১৬ সালে সাহিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন মার্কিন গীতিকবি ও গায়ক রবার্ট আ্যালেন জিমারম্যান(বব ডিলান)।আমেরিকান সঙ্গীত ঐতিহ্যে নতুন কাব্যিক অভিব্যক্তি প্রবর্তনের জন্য তিনি এ পুরস্কার লাভ করেন।তিনি সাহিত্যে নোবেল প্রাপ্ত ১১৩ তম ব্যক্তি।জর্জ বার্নার্ড ’শ এর পর ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে একাধারে অস্কার এবং নোবেল পুরস্কার লাভ করেন বব ডিলান।তিনি ২০০১ সালে “ওয়াণ্ডার বয়েজ” সিনেমার জন্য সেরা সঙ্গীত বিভাগে অস্কার পুরস্কার লাভ করেন।১৯৭১ সালে আয়োজিত ”কনসার্ট ফর বাংলাদেশ” নামক সঙ্গীত অনুষ্ঠানে বব ডিলান ৫টি গান গেয়েছিলেন।

Friday, March 9, 2018

রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশ


রোহিঙ্গা বাংলাদেশ
রোহিঙ্গা পরিচিতি
রোহিঙ্গা একটি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী যারা নিজ দেশেও পরবাসী রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায় আরাকানী মুসলিমরা সেখানে হাজার বছর ধরে বসবাস করলেও বাংলাভাষী মুসলিম হওয়ার কারনে তারা মিয়ানমারের সরকার নাগরিকদের কাছে বিদেশী,বাঙ্গালি বা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে পরিচিত জাতি সংঘ রোহিঙ্গাদের  "বিশ্বের সবচেয়ে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী " হিসেবে অভিহিত করেছেন
কারও কারও মতে রোসাঙ্গ থেকে রোহিঙ্গা শব্দটির উদ্ভবনবম-দশম শতকে আরাকান রাজ্য রোহান কিংবা রোহাঙ নামে পরিচিত ছিলরোহিঙ্গা শব্দটি রোসাঙ্গ শব্দটি থেকে এসেছে সেই অঞ্চলের অধিবাসী হিসেবেই রোহিঙ্গা শব্দের উদ্ভব
কারও কারও মতে, রোহিঙ্গা শব্দটি রেঙ্গুন শব্দের পরিবর্তিত রুপসেই মতে রেঙ্গুনে বসবাসকারী বার্মিজ সম্প্রদায় রোহিঙ্গা নামে পরিচিত
কারও কারও মতে আফগানিস্তানের রোহিঙ্গা জেলা থেকে আগত হওয়ার কারনে এই নামকরনতাদের মতে, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বীন বখতিয়ার খলজীসহ বাংলার মুসলমান বিজেতা শাসকগোষ্ঠী ইসলাম প্রচার প্রসারের জন্য আফগানিস্তানের রোহিঙ্গা জেলা থেকে কিছু লোককে ধর্ম প্রচারের জন্য আরাকানে পাঠিয়েছিলেন সেই মতে তাদের নামানুসারে নাম হয় রোহিঙ্গা